বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে আফসানা বেগমের নিয়োগ বাতিলের পর শিল্প ও সাহিত্য অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগঘনিষ্ঠ ও বামপন্থি সংস্কৃতি ব্যক্তিরা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন, অন্যদিকে আফসানা বেগম নিজেও নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন।
প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের বই নির্বাচন কমিটিতে স্বার্থের সংঘাত ছিল, কারণ কিছু সদস্য নিজেদের বই ক্রয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তালিকায় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের লেখক ও প্রকাশকদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনামূলক বা জুলাই অভ্যুত্থানপন্থী লেখকদের বই বাদ পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আফসানার নিয়োগ প্রথম আলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুপারিশে হয়েছিল।
লেখকের মতে, এই বিতর্ক রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে পক্ষপাত ও স্বজনপ্রীতির গভীরতা তুলে ধরেছে, যা বাংলাদেশের সাহিত্য নীতিতে স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।