ভারতের নাগরিক হওয়ার আগেই ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছ সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। এ ইস্যুতে আদালতে মামলাও দায়ের হয়েছে সাবেক এই কংগ্রেস সভানেত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী বিকাশ ত্রিপাঠীর ভাষ্য, ১৯৮৩ সালে সোনিয়া গান্ধী ভারতের নাগরিকত্ব পান, অথচ ১৯৮০ সালেই ভোটার তালিকায় তার নাম ওঠে। ১৯৮২ সালে নাম বাদ দেওয়া হলেও নাগরিক হওয়ার পর ১৯৮৩ সালে আবার তালিকায় ফেরেন। বিজেপির দাবি, যে নেত্রী দেশের নাগরিকত্ব নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন, তার হাত ধরে কংগ্রেস দেশ চালাতে চেয়েছিল। তবে কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি তাদের ব্যর্থতা ঢাকতেই বারবার সোনিয়াকে টার্গেট করছে। জনগণের আসল সমস্যা—মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব, কৃষক সঙ্কট—আলোচনায় না রেখে পুরনো ইস্যু ঝেড়ে তোলার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির এই কৌশল নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াস।