ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে, আর গ্রামাঞ্চলে শীতার্তরা খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। মাঠে থাকা ভুট্টা, সরিষা, গম, আলু ও আমনের বীজতলা রক্ষায় কৃষক ও কৃষিশ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন। ঠান্ডায় কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ায় দিনমজুর ও রিকশাচালকদের আয়ও কমে গেছে।
লালমনিরহাটের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। সিভিল সার্জন আবদুল হাকিম জানান, শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে যাতে ঠান্ডা না লাগে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের ক্ষতি রোধে পরামর্শ দিচ্ছে। জেলা প্রশাসন দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে এবং অতিরিক্ত সহায়তার জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছে।
শীতজনিত রোগ ও দুর্ভোগ অব্যাহত থাকায় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।