বাংলাদেশে আসন্ন সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই অন্তত ১০টি জেলায় সংঘর্ষ, প্রার্থীদের ওপর হামলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব সহিংসতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
প্রচার শুরুর প্রথম দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে আচরণবিধি মানার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে বাধা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা সরাসরি সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের পর গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসায় এই নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব রাজনৈতিক দলকে সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।