জিওপি নেতা রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅধিকার পরিষদ গতকাল জাতীয় পার্টির অফিসে হামলা করতে যায়নি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী গণঅধিকার পরিষদের অফিসের সামনে এসে হামলা করেছে। নুরের নাক ফেটে গেছে, চোখে আঘাত লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা বুট দিয়ে তার বুকে আঘাত করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে সেনাপ্রধানের প্রতি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দোসররা সেনাবাহিনীতে এখনও কর্মরত রয়েছে। তাদেরকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। ডিজিএফআইয়ের সঙ্গে জাতীয় পার্টির আঁতাত চলছে। তারা জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দল বানাতে চায়। তবে তাদেরকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়া যাবে না। আরও বলেন, মেরুন রঙের পোলো টি-শার্ট পড়া লোকটি কে? তিনি সম্রাটের ওপর হামলা করেছে। অন্যদিকে নুরের ওপর হামলা করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা।