Web Analytics

বাংলাদেশের বলপূর্বক গুম তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, অধিকাংশ গুমের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ১,৯১৩টি অভিযোগের মধ্যে ১,৫৬৯টি গুম হিসেবে যাচাই করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮৭টি ‘মিসিং অ্যান্ড ডেড’ শ্রেণিতে পড়েছে। কমিশন জানায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিস জানান, গুমের সংখ্যা চার থেকে ছয় হাজার হতে পারে, কারণ অনেক ভুক্তভোগী এখনো অভিযোগ করেননি। প্রতিবেদনে দেখা যায়, জীবিত ফিরে আসা ভুক্তভোগীদের ৭৫ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের এবং নিখোঁজদের ৬৮ শতাংশ বিএনপি সংশ্লিষ্ট। তদন্তে বরিশালের বলেশ্বর নদীকে হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের প্রধান স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস কমিশনের কাজকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন এবং প্রতিবেদনটি সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে আহ্বান জানান। তিনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের স্থানসমূহ ম্যাপিং ও ভবিষ্যৎ প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের নির্দেশ দেন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!