চীন ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা দেবে, যা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পরও দুই বছর কার্যকর থাকবে। বোয়াও ফোরামে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং জুয়েশিয়াং এ ঘোষণা দেন। চীন মুক্তবাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহ প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেয়। এছাড়া, চীন মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন, আম রপ্তানি সহজকরণ এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহায়তা করবে।