ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় পাকিস্তান গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সতর্ক করেছে যে, দেশটিতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন হলে তা আঞ্চলিকভাবে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকির প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান জানিয়েছে, ইরানের অস্থিতিশীলতা সীমান্তজুড়ে জঙ্গিবাদ, অস্ত্র পাচার, শরণার্থী প্রবাহ ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়াবে। দুই দেশের মধ্যে ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত থাকায় যেকোনো অস্থিরতা পাকিস্তানের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
ইরানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসিফ দুররানি বলেন, ইরানে অভ্যন্তরীণ বা বহিরাগত যেকোনো পরিবর্তন পাকিস্তানের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামাবাদ অতীতে ইরান ও পশ্চিমাদের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রেখেছিল। সাবেক পররাষ্ট্রসচিব জোহর সেলিম সতর্ক করেন, বহিরাগত অর্থনৈতিক, সাইবার বা সামরিক হস্তক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে অস্থিরতা সীমান্তবর্তী জঙ্গি নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করবে এবং বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী সাফল্য ভেঙে দিতে পারে। ইসলামাবাদ মনে করে, ইরানের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা রক্ষা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।