বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র তার সঙ্গেই কাজ করবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারকে চীনা সামরিক সরঞ্জামের বিকল্প হিসেবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তাব করার পরিকল্পনা করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, যেখানে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে, যার আওতায় ভারত সীমান্তের কাছে ড্রোন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা চলছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয় এবং বাইরের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। ক্রিস্টেনসেন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নত দেখতে চায়, যা শেখ হাসিনার বিদায়ের পর কিছুটা টানাপোড়েনে পড়েছে।
তিনি বাণিজ্য কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন সরকারকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।