নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও দেশের অনেক মাধ্যমিক শিক্ষার্থী এখনো পাঠ্যবই হাতে পায়নি। তবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, আগের বছরের তুলনায় এবার বই বিতরণে তারা সফল। সংস্থাটি রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও নিবিড় তদারকির মাধ্যমে ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের সব বই সরবরাহ সম্পন্ন করা হবে। ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪ কপির মধ্যে গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ বই সরবরাহ হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি বই শতভাগ মুদ্রণ ও বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি স্তরের বইয়ের কাজ এখনো শেষ হয়নি; ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ মুদ্রণ এবং ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকার নবাবপুর ও কেরানীগঞ্জের স্কুল প্রধানরা জানিয়েছেন, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই সবচেয়ে কম পাওয়া গেছে।
প্রেস মালিকদের কম দর দেওয়ার কারণে ছাপার কাজে অনীহা দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এনসিটিবির বিতরণ নিয়ন্ত্রক মতিউর রহমান পাঠান জানান, অষ্টম শ্রেণির অর্ধেকের বেশি বই ইতিমধ্যে স্কুলে পৌঁছেছে এবং ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।