ইউরোপীয় পার্লামেন্টের রাজনৈতিক দলগুলো মঙ্গলবার ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। এই চুক্তিটি ২০২৫ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল এবং এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইইউ রপ্তানির ওপর ১৫% শুল্ক আরোপ করবে, আর ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর শুল্ক শূন্যে নামাবে। আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব কমিটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোট দেবে এবং মার্চের শুরুতেই পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ভোট হতে পারে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর ১০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ায় অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়েছিল। পরে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতা হয়, যাতে ২০২৮ সালের মার্চে মেয়াদ শেষ হওয়া একটি ‘সানসেট ক্লজ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ভঙ্গ করলে কার্যকর হবে এমন একটি ‘সাসপেনশন ক্লজ’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সমাজতান্ত্রিক এমইপি বের্ন্ড ল্যাং জানান, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুর পর ইউরোপীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।
চুক্তির নতুন সংস্করণে ইইউ বাজার সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্র ৪০০-রও বেশি ইস্পাত পণ্যের ওপর ১৫% শুল্ক না কমালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুল্ক পুনর্বহালের ধারা রাখা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ভোটের পর ইইউ সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনায় শর্তগুলো পরিবর্তিত হতে পারে।