নতুন বছরের প্রথম দিনেই দীর্ঘদিন ধরে সংকটে থাকা পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকা উত্তোলনের সুযোগ পেয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের রেজল্যুশন স্কিম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়। বিভিন্ন শাখায় গ্রাহকরা টাকা তুললেও কোথাও বড় ধরনের ভিড় দেখা যায়নি।
একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক। এসব ব্যাংকের সম্পদ, দায় ও জনবল অধিগ্রহণ করে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক, যার প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলের সেনাকল্যাণ ভবনে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত স্কিমে নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে, যা ‘ক’ শ্রেণির শেয়ার হিসেবে গণ্য হবে।
দুই লাখ টাকার বেশি আমানতের ক্ষেত্রে প্রতি তিন মাসে এক লাখ টাকা করে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ থাকবে। স্থায়ী আমানতকারীরা তাদের বকেয়ার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ বা ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।