আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ৩৪টি আঞ্চলিক ভাষার গান তৈরি করেছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের প্রক্রিয়া সহজভাবে বোঝাতে এসব গান নির্দিষ্ট অঞ্চলে পরিবেশন করা হবে এবং গ্রামের হাট-বাজারে হ্যাঁ/না ভোট দেওয়ার প্রদর্শনী দেখানো হবে। তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে উদ্ভাবনী ও জনমুখী প্রচার কৌশল গ্রহণ জরুরি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে প্রচারণা চালাবে। গুজব প্রতিরোধে পিআইবি নেতৃত্বে ফ্যাক্ট চেকিং কার্যক্রমও পরিচালিত হবে। গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল জানান, ১০২ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই প্রচারণা আরও আধুনিক ও হৃদয়গ্রাহীভাবে সাজানো হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সচেতনতা বাড়াতে ৩৪টি আঞ্চলিক গান চালু করেছে বাংলাদেশ