ইরান এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো একাধিক শহরে ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চালিয়েছে, যার মধ্যে তেহরান, ইসফাহান ও মাশহাদ উল্লেখযোগ্য। রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে উৎক্ষেপণের ভিডিও প্রকাশ করা হলেও সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি। পরে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম এসব মহড়ার খবর অস্বীকার করে জানায়, প্রচারিত দৃশ্যগুলো আসলে উচ্চ-উচ্চতার বিমানের ছিল।
এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু শিগগিরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ব্রিফ করবেন। পশ্চিমা দেশগুলো এই কর্মসূচিকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে এবং আশঙ্কা করছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে ব্যবহৃত হতে পারে। ইরান অবশ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিপ্রায় অস্বীকার করেছে।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুনর্গঠনের কাজ আবার শুরু হয়েছে। ফলে তেল আবিব নতুন সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছে, যা ইরান-ইসরাইল সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মহড়ায় ইসরাইলের নতুন হামলার বিকল্প বিবেচনা, উত্তেজনা বাড়ছে