বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা তরুণ রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। মাত্র ৩২ বছর বয়সী হাদি গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সরকার তাঁর পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং মসজিদ-মন্দিরসহ সব উপাসনালয়ে তাঁর আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছে।
ওসমান হাদি দুর্নীতি, বিদেশি আধিপত্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন। তাঁর বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তাঁকে “জাতীয় বীর” হিসেবে অভিহিত করেছেন, তবে বিরোধী পক্ষ অভিযোগ করেছে যে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগীরাই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।
ওসমান হাদির মৃত্যু সারাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক সহিংসতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফেব্রুয়ারির গণভোট ও আসন্ন নির্বাচনের আগে এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে।
ঢাকায় গুলিতে নিহত ওসমান হাদির মৃত্যুতে বাংলাদেশে জাতীয় শোক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি