ইসরাইলি বিমান হামলা কমলেও গাজায় ফিলিস্তিনি শিশুদের মৃত্যু থামছে না। এবার তাদের প্রাণ যাচ্ছে ঠান্ডা ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়ার কারণে। প্রবল বৃষ্টিতে তাঁবু শিবির ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্লাবিত হয়েছে, ধসে পড়েছে দুর্বল ভবনগুলো। এতে অন্তত ১৬ জন ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে শিশুরাও রয়েছে, মারা গেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই মৃত্যুগুলোকে প্রতিরোধযোগ্য বলে উল্লেখ করে ইসরাইলের অবরোধ ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনকে দায়ী করেছে।
দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের ফলে ১,৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছে। পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও আশ্রয় মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ইসরাইল। ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, তাদের কাছে ১৩ লাখ মানুষের জন্য আশ্রয়সামগ্রী প্রস্তুত থাকলেও তা গাজায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। গাজার ৯২ শতাংশ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত এবং অর্ধেকেরও বেশি এলাকা ফিলিস্তিনিদের জন্য নিষিদ্ধ।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এই অবরোধ গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইসরাইলকে খাদ্য, আশ্রয় ও চিকিৎসা সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে, নইলে মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর হবে।
বোমা কমলেও গাজায় ঠান্ডা ও ভবনধসে শিশুর মৃত্যু, অবরোধে ত্রাণ আটকে