২০২৬ সালের শুরুতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কঠিন কূটনৈতিক চাপে পড়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রতি দুটি বড় সতর্কবার্তা দিয়েছেন। প্রথমটি আসে যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসী পদক্ষেপের পর, যা ডেনমার্কসহ বহু দেশকে উদ্বিগ্ন করেছে। দ্বিতীয় সতর্কবার্তায় ট্রাম্প সরাসরি ভারতকে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বন্ধ করতে বলেন, নচেৎ যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরও বাড়ানো হবে। ভারত রাশিয়ান তেল আমদানি তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামালেও ট্রাম্প সন্তুষ্ট নন এবং ভারতীয় রপ্তানির ওপর উচ্চ শুল্ক বজায় রেখেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের এক সাম্রাজ্যবাদী কৌশলের অংশ। ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ রপ্তানি বাজার রক্ষা করা, একই সঙ্গে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক বজায় রাখা। এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে, দেশের ভেতরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে। পুঁজিবাজারের উত্থান ও রেকর্ড আইপিও কার্যক্রমের ফলে নতুন বিলিয়নপতির সংখ্যা বেড়েছে। বাইরের চাপ ও ভেতরের সম্পদবৃদ্ধির এই দ্বিমুখী বাস্তবতা ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাশিয়ান তেল নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তায় বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চাপে মোদি