Web Analytics

গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্ত দুই বছরের ইসরায়েলি অবরোধের পর এই সপ্তাহে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সীমিত সংখ্যক ফিলিস্তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারছেন। তবে বহু প্রবীণ ফিলিস্তিনি গাজা ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, একে তাঁরা প্রতিরোধ ও মাতৃভূমির প্রতি অঙ্গীকার হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন ৭৩ বছর বয়সী কেফায়া আল-আসার, যিনি ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে পাঁচবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বর্তমানে নুসেইরাতে একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন। উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগলেও তিনি বলেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশে না গিয়ে নিজের মাটিতেই মরতে চান।

রাফাহ সীমান্তের এই আংশিক খোলা গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হলেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনালের গবেষণায় দেখা গেছে, ইসরায়েলের অবরোধে গাজার প্রবীণ জনগোষ্ঠী ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে পড়েছে। অধিকাংশ প্রবীণ তাঁবুতে বসবাস করছেন, ওষুধের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রেখেছেন এবং অনেকেই খাবার বঞ্চিত হচ্ছেন। তবুও ৮৫ বছর বয়সী নাজমেয়া রাদওয়ানের মতো অনেকে গাজা ছাড়তে নারাজ, কারণ তাঁদের জীবনের শুরু থেকেই বাস্তুচ্যুতি ও যুদ্ধের অভিজ্ঞতা।

এই প্রবীণদের গাজায় থেকে যাওয়ার দৃঢ়তা চলমান মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেও তাঁদের মাতৃভূমির প্রতি গভীর সম্পর্ককে প্রতিফলিত করে।

06 Feb 26 1NOJOR.COM

রাফাহ সীমান্ত খোলার পরও গাজা ছাড়তে অস্বীকৃতি প্রবীণ ফিলিস্তিনিদের

Person of Interest

logo
No data found yet!