বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের পর শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের নির্দেশে কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলে পোস্টাল ব্যালটে তাদের নাম ও প্রতীক থাকবে না।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানিতে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং প্রশাসন ঘটনাস্থলে নীরব ছিল। দলটি দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনি পদক্ষেপের দাবি জানায় এবং প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের কারণে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে সতর্ক করে। অন্যদিকে, বিএনপি দাবি করে, শেরপুরের সংঘাত এড়ানো যেত কিনা তা খতিয়ে দেখতে সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।
ঘটনার পর ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জামায়াত নেতা হত্যায় শেরপুরের ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।