২১ ডিসেম্বর ঢাকায় নাগরিক কোয়ালিশনের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে দৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তারা সতর্ক করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা ও কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। বক্তারা মনে করেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকার উভয়ের দায়িত্ব হলো ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা পুনর্গঠন করা।
জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও এবি পার্টির নেতারা রাজনৈতিক সহিংসতা, অবৈধ অস্ত্র, এবং সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম ও আইরিন খানসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, সিসিটিভি স্থাপনের অর্থ না থাকার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়।
বক্তারা সতর্ক করেন, নিরাপত্তাহীনতা অব্যাহত থাকলে আসন্ন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তারা রাজনৈতিক ঐক্য ও পুলিশ প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান, যাতে একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হয়।
সুষ্ঠু নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি নাগরিক কোয়ালিশনের আহ্বান