মিয়ানমারে মাসব্যাপী সাধারণ নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামরিক জান্তা সরকারের অধীনে আয়োজিত এই নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সমর্থনপুষ্ট ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) বিপুল জয় পেতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এই ভোটের মূল উদ্দেশ্য সামরিক শাসনকে বেসামরিক বৈধতার আড়ালে দীর্ঘায়িত করা। ভোর ৬টা থেকে ভোট শুরু হলেও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকা বিস্তীর্ণ এলাকায় ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘদিন সামরিক শাসনের অধীনে থাকা মিয়ানমার ২০১০-এর দশকে কিছু বেসামরিক সংস্কারের পথে এগোলেও ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে তা থেমে যায়। তখন গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ ও মানবিক সংকট শুরু হয়। সেনাবাহিনী জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও সু চিকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা এবং তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) বিলুপ্ত করার কারণে ভোটটি সামরিক মিত্রদের পক্ষে সাজানো বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের প্রভাবাধীন ইউএসডিপি আগের ধাপগুলোতে অধিকাংশ আসনে জয় পেয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে, যেখানে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিয়ানমারে সেনাসমর্থিত দলের বড় জয়ের পথে শেষ দফার ভোট সম্পন্ন