বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ক্যাডারে অনুমোদিত পদের অতিরিক্তসহ প্রায় ১০ হাজার চিকিৎসকের পদোন্নতির প্রক্রিয়া চলছে, যার মধ্যে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি ইতোমধ্যে জুনিয়র কনসালট্যান্ট, সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে উন্নীত হয়েছেন। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ আওয়ামী লীগপন্থি এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)-এর সদস্য বলে জানা গেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সিন্ডিকেট এসব পদোন্নতি সহজ করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন হয়েছে। শহীদ মিনারে ‘শান্তি সমাবেশে’ অংশ নেওয়া কিছু চিকিৎসকও পদোন্নতি পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বীকার করেছে যে, স্বৈরাচার আমলের একটি নির্বাহী আদেশে সিনিয়র স্কেল পরীক্ষা ছাড়াই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, যা বিধিবহির্ভূত। এতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু বঞ্চিত চিকিৎসকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব জানান, নির্দিষ্ট অভিযোগ বা গোয়েন্দা প্রতিবেদন এলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, কারণ আওয়ামীপন্থি চিকিৎসকদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই।
স্বাচিপের প্রায় দেড় হাজার সদস্যের পদোন্নতি স্থগিত রয়েছে এবং তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকেও পদোন্নতির সুপারিশের অভিযোগ উঠেছে।
চিকিৎসকদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের অভিযোগে বিতর্ক