ইউরোপীয় সামরিক মিশন গঠনের পরও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়ে অবস্থান পরিবর্তন করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানান, ইউরোপে সেনা মোতায়েন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে না। বুধবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বৈঠকে এই ইস্যুতে প্রযুক্তিগত আলোচনার জন্য একটি কর্মী গোষ্ঠী গঠনের বিষয়ে সম্মতি হয়।
ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে সবাই একমত হলেও পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি জোর করে গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা করে, তা ন্যাটোর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হতে পারে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন সংলাপ ও কূটনীতিকেই সঠিক পথ হিসেবে দেখছেন।
এদিকে ন্যাটোর ‘আর্কটিক এন্ডুরেন্স’ মহড়ার অংশ হিসেবে ডেনমার্ক দুটি সামরিক পরিবহন বিমান গ্রিনল্যান্ডে পাঠিয়েছে এবং ইউরোপীয় মিত্ররা সেখানে সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্প আবারও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইউরোপীয় সেনা মোতায়েনেও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে অনড় ট্রাম্প প্রশাসন