জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াত নেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে বা ঐকমত্য হয়নি, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; এ ধরনের বিষয় এক করে কোন পদ্ধতিতে তা আইনগত ভিত্তি পাবে, তা নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তাহের বলেন, ‘জুলাই চার্টার হোক, ন্যাশনাল চার্টার হোক এবং চার্টারের বাইরেও যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকে, সেটাকে ইনক্লুড করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গণভোট চায়।’ তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে আইনগত একটি ভিত্তি হবে। নির্বাচন কমিশনারদের অবসরের পরও জবাবদিহির আওতায় আনতে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত। এনসিসি প্রস্তাবে জামায়াত নীতিগতভাবে একমত। তবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতিকে ব্যাতীত। তাহের বলেন, একজনের হাতে যেন সব ক্ষমতা কুক্ষিগত না হয়। সে জন্য একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন না।
গণভোটের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ চূড়ান্তের প্রস্তাব জামায়াতের