উমামা ফাতেমা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক যাত্রার ইতি টেনে জানিয়েছেন, এনসিপি গঠনের পর প্ল্যাটফর্মটি স্বাধীনভাবে সচল রাখার চেষ্টায় তিনি নানা অনলাইন ও অফলাইন চাপে পড়েন। রাজনৈতিক সুবিধাবাদ, অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র, কুৎসা রটনা (smear campaign), পদ নিয়ে দরকষাকষি এবং জুনিয়রদের দিয়ে চালানো অপপ্রচারে তিনি হতাশ হন। মুখপাত্র হয়েও তাকে কার্যত নিষ্ক্রিয় রাখা হয়, এমনকি পেইজ থেকেই তার বিরুদ্ধে পোস্ট হয়। তিনি জানান, কাউন্সিলের ভোটে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা না থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভোট দেন প্ল্যাটফর্মে ভালো কিছু হোক এই আশায়, তবে পরে সেই সমর্থনও প্রত্যাহার করেন। অভ্যুত্থানের স্বপ্নে এসে বাস্তবে হতাশ হয়ে তিনি মনে করেন, এই প্ল্যাটফর্ম এখন সুবিধাবাদীদের হাতে বন্দি এবং কোনো ইতিবাচক ভবিষ্যৎ নেই। তিনি বলেন, যারা তার বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের কখনো ক্ষমা করবেন না এবং সবাইকে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফি আমানিল্লাহ বলে বক্তব্য শেষ করেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর সাথে আমার আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখানেই শেষ হলো: উমামা ফাতেমা