মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক ও গোয়েন্দা পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেছেন বলে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, বিকল্পগুলোর মধ্যে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সাইবার অভিযান এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রচারণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ আলোচনা এমন সময়ে হচ্ছে যখন ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ছয় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তেহরান আলোচনায় আগ্রহী হলেও যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত রয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এক ইরানি কর্মকর্তা ট্রাম্পের বিশেষ দূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, যদিও প্রকাশ্য ও গোপন বার্তায় পার্থক্য রয়েছে। ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, আরও বিক্ষোভকারী নিহত হলে তিনি “খুব শক্তিশালী বিকল্প” বিবেচনা করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে অবস্থানরত নাগরিকদের দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছে।
ইরানে মুদ্রার দরপতন ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে খাদ্যের দাম প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়েছে। নতুন শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর করতে পারে, যা সরকারের ওপর অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াবে।
বিক্ষোভের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র