প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) ১৫৩ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তারা এখনো বহাল রয়েছেন। এসব নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিয়ম মানা হয়নি। অধিকাংশ নিয়োগই রাজনৈতিক সুপারিশে সম্পন্ন হয়, যা সরকারি নিয়োগবিধি ও ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের এক অডিটে এসব অনিয়মের বিষয়ে আপত্তি জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে অন্যান্য খাতে পদোন্নতি হলেও বিটিআরসিতে তা হয়নি। বর্তমানে সংস্থাটির ৩৫৫ জন স্থায়ী কর্মীর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি অবৈধ নিয়োগধারী, আর ৫০টিরও বেশি পদ শূন্য রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কর্মকর্তা পদোন্নতির জন্য বিভিন্ন দপ্তরে তদবির করছেন। বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হলেও তারা এখনো প্রতিবেদন দেয়নি।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক অনিয়মের কারণে বিটিআরসি তার স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।
অডিট আপত্তি সত্ত্বেও বিটিআরসিতে বহাল ১৫৩ জন অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা