রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাস না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। নিয়মিত বিল দিয়েও রান্নার জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় অনেক পরিবার একবেলা খাবার রান্না করতেও হিমশিম খাচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকে অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার কিনছেন, কিন্তু সরবরাহ সংকটের কারণে সেটিও সহজলভ্য নয়। যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, রামপুরা ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ একেবারেই কম বা অনুপস্থিত থাকছে।
তিতাস গ্যাসের তথ্যমতে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ১,৭৯৬ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস অপচয় হয়েছে, যার আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৪,১০৭ কোটি টাকা। পেট্রোবাংলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতে দেশে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ২,৬৪৭ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় কম। উৎপাদিত গ্যাসের মাত্র ১০ শতাংশ আবাসিক খাতে সরবরাহ করা হচ্ছে, বাকিটা শিল্প ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে যাচ্ছে।
তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজ জানান, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন গত বছরের তুলনায় দিনে ২৫ কোটি ঘনফুট কমে গেছে। তিনি বলেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও পুরোনো কূপ সংস্কার না করলে এই সংকট কাটানো সম্ভব নয়।
উৎপাদন কমে ঢাকায় গ্যাস সংকট, এলপিজির দাম বেড়েছে