ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে দোকানদারদের ধর্মঘট থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান, শিরাজ ও পশ্চিম ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে প্রাণঘাতী সংঘর্ষ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে।
এই বিক্ষোভকে ২০২২–২০২৩ সালের মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর শুরু হওয়া আন্দোলনের পর সবচেয়ে বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বিক্ষোভ মূলত পশ্চিম ইরানের কুর্দি ও লোর অধ্যুষিত এলাকায় কেন্দ্রীভূত হলেও এটি ৮৬ বছর বয়সি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত ও অর্থনৈতিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী চার মাস নাগরিকদের মাসে প্রায় সাত ডলার সমপরিমাণ ভাতা দেওয়া হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, আরও মানুষ নিহত হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ব্যবস্থা নেবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো পশ্চিমাঞ্চলে একাধিক হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে, আর ইরানি গণমাধ্যম নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ কয়েকজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে।
ইরানে দ্বিতীয় সপ্তাহে বিক্ষোভ, নিহত ১২, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সতর্কতা