গত দশ বছরে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে ৩৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুলিবর্ষণ ও অপহরণের পর নির্যাতনের ঘটনায় এসব হতাহতের পাশাপাশি শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্তের মধ্যে প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া এবং ১২ কিলোমিটার উন্মুক্ত সীমান্ত রয়েছে, যা ভারতের নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সঙ্গে যুক্ত।
তদন্তে জানা গেছে, বাঘাডাঙ্গা, শ্যামকুঁড়সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ক্যাম্পের বিপরীতে নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনায় অধিকাংশ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এসব হত্যাকাণ্ডে মহেশপুর সীমান্ত এলাকাটি এখন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে। ২০১৫ সালে বিজিবির ৫৮ ব্যাটালিয়ন ক্যাম্প স্থাপনের পর সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং সীমান্ত হত্যা কিছুটা কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত অপরাধ ও হত্যাকাণ্ড রোধে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দুই দেশের পতাকা বৈঠকেও বিএসএফের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। নিহতদের পরিবার অভিযোগ করেছে, বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশিদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন আচরণ করছে।
মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩৬ বাংলাদেশি নিহত, নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি