বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চলমান গভীর সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীতে ‘জাস্ট এনার্জি নিউজ’ আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও উচ্চ ব্যয়, জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা, ডলার সংকট, ভর্তুকির চাপ ও দুর্বল সুশাসনের কারণে খাতটি আর্থিক ও কাঠামোগতভাবে চাপে রয়েছে। তারা নতুন সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, প্রাইমারি এনার্জিতে দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সীমিত এলএনজি আমদানি সক্ষমতা সংকটের মূল কারণ। বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন জানান, দেশের ৯৭–৯৮ শতাংশ জ্বালানি ফসিল ফুয়েলনির্ভর এবং প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানিনির্ভর, যা অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যান্য বক্তারা, যেমন সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক এম. তামিম ও অর্থনীতিবিদ মুশতাক হোসাইন খান, দুর্নীতি, অদক্ষ চুক্তি ও নীতিগত ব্যর্থতাকে প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন।
তারা বলেন, স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক ঐক্য ও জনসচেতনতা ছাড়া টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্যের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের