২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে লেখক মো. হেলাল মিয়া অভিযোগ করেছেন যে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ভারত বাংলাদেশের পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারকে আশ্রয় ও সহায়তা দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভারতের পররাষ্ট্রনীতি নেহরু ডকট্রিনের ভিত্তিতে পরিচালিত, যা প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সমমর্যাদার সম্পর্ক নয় বরং আধিপত্য বিস্তারের কৌশল। লেখকের মতে, এই নীতি শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সংখ্যালঘুদের দমন করছে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করছে। লেখক অভিযোগ করেন, ভারত ভিসা ও পাসপোর্ট ছাড়া হাজারো বাংলাদেশি নেতাকর্মীকে আশ্রয় দিয়েছে, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিচার করেনি এবং বিদেশি দূতাবাসে হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি ভারতের ধর্মীয় পক্ষপাত ও সংখ্যালঘু ইস্যুতে দ্বিচারিতারও সমালোচনা করেন।
লেখক উপসংহারে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় আধিপত্য রোধ করতে হলে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য শক্তির সঙ্গে জোট গঠন প্রয়োজন।
বাংলাদেশি লেখকের অভিযোগ, ভারত পতিত সরকারের আশ্রয়দাতা ও আঞ্চলিক আধিপত্যবাদী