ইরানে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় সরকারের জন্য আরও বিপজ্জনক হতে পারে। তবে এবার আরব দেশগুলো একেবারে নীরব। তাদের সংবাদমাধ্যমে ইরান এখন প্রধান খবর নয়, কর্মকর্তারাও মন্তব্য করতে অনিচ্ছুক। ২০২২ সালে উপসাগরীয় অর্থায়নে পরিচালিত চ্যানেলগুলো বিক্ষোভকারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল, কিন্তু এবার সেই অবস্থান বদলে গেছে।
এই নীরবতার দুটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর ইসরাইলের যুদ্ধগুলো ইরানের মিত্র নেটওয়ার্ককে দুর্বল করেছে, ফলে দেশটির আঞ্চলিক প্রভাব কমেছে। দ্বিতীয়ত, উপসাগরীয় দেশগুলো বিশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা আশঙ্কা করছে, ইরান ভেঙে পড়লে শরণার্থী সংকট, অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণহীনতা ও নতুন সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যা আরব দেশগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
আরব নেতারা ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সমর্থন না করলেও তারা এখন স্থিতিশীলতাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। দীর্ঘ যুদ্ধ ও অস্থিরতায় ক্লান্ত তারা নতুন সংঘাত এড়াতে চুপ থাকার পথ বেছে নিয়েছেন।
ইরানে নতুন বিক্ষোভে আরব দেশগুলোর নীরবতা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি