বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট জাল শিক্ষাগত সনদ, নম্বরপত্র ও অন্যান্য একাডেমিক নথিপত্র তৈরি, বিক্রি ও ব্যবহারে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)। সোমবার এপিইউবি সচিবালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
এপিইউবি বলেছে, গণমাধ্যমের সংবাদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী সনদ জালিয়াতি শুধু আইনবিরোধী অপরাধ নয়; এটি উচ্চশিক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা, মেধাভিত্তিক নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষাগত যোগ্যতার গ্রহণযোগ্যতার জন্য গুরুতর হুমকি। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের ব্যবসা বৈধ ও অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং প্রকৃত যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়োগকর্তাদের সন্দেহের মুখে ফেলতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকর উদ্যোগে ডিবি, সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে প্রস্তুতকারী, সরবরাহকারী, মধ্যস্থতাকারী ও বিক্রয় নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান জোরদারের অনুরোধ জানিয়েছে এপিইউবি। জাল সনদ বিক্রিতে ব্যবহৃত ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন বিজ্ঞাপন, ভুয়া যাচাইকরণ পোর্টাল ও ডিজিটাল লেনদেনের বিরুদ্ধে সাইবার সংস্থার ভূমিকার কথাও বলা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তে সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততা মিললে আইনি ব্যবস্থা এবং সমন্বয়ব্যবস্থা গঠনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
জাল শিক্ষাসনদ চক্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত আইনি ও সাইবার পদক্ষেপ চেয়েছে এপিইউবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।