২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে নির্বাচনি ইশতেহার অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মঞ্চে বসার আসন নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম গুরুতর আহত হয়ে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। উভয়পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হন এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সব প্রার্থীর অংশগ্রহণে ইশতেহার পাঠের আয়োজন করা হয়েছিল। সামনের সারির চেয়ারে বসা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জামায়াত প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করেন, বিএনপি সমর্থকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল দাবি করেন, জামায়াতের কর্মীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করেছে। প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক এবং এখনো কোনো মামলা হয়নি।
শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত, আহত অন্তত ৫০ জন