গত ২৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেন, যা সঙ্গে সঙ্গে সোমালিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন সতর্ক করে জানায়, সোমালিল্যান্ডে কোনো ইসরায়েলি উপস্থিতি থাকলে তা সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। উত্তেজনা আরও বাড়ে যখন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’আর এই মাসে সোমালিল্যান্ড সফর করেন এবং কৌশলগত বন্দর শহর বেরবেরা পরিদর্শন করে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। সোমালিল্যান্ড কর্মকর্তারা ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতির সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখেন, যা হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকার ঠিক বিপরীতে ইসরায়েলকে অবস্থান দেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান হুমকির প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল নতুন অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলছে। সোমালিল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান হুথিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযানের ঘাঁটি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সোমালিল্যান্ড, যা কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং সোমালিয়ার চাপের মুখে রয়েছে, ইসরায়েলের স্বীকৃতিকে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছে। তবে সোমালিয়া সরকার পুনরায় আলোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, স্বীকৃতি কেবল মোগাদিশুর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই নতুন সম্পর্কের দিকনির্দেশ এখনো অনিশ্চিত এবং উভয় পক্ষই এর পরিণতি পর্যবেক্ষণ করছে।
সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়ে ইসরায়েল হুথি হুমকি ও সোমালিয়ার ক্ষোভের মুখে