হা-মীম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ জানিয়েছেন, কঠোর মুদ্রানীতির কারণে দেশে ইতোমধ্যে ১২ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং আগামী ছয় মাসে আরও ১২ লাখ চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। মঙ্গলবার ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসি) আয়োজিত ‘ইমপ্লিকেশনস অব এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ফর ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রি: বাংলাদেশ পার্সপেকটিভ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু মুদ্রানীতি কঠোর করলেই মূল্যস্ফীতি কমবে না, কারণ এটি রাজস্বসহ আরও অনেক বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, আইসিসির সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ ব্যবসায়ী ও ব্যাংকাররা উপস্থিত ছিলেন।
আহসান হাবিবের একটি গবেষণার তথ্য তুলে ধরে এ কে আজাদ বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বাস্তবায়িত হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানি ৪৫ শতাংশ কমতে পারে। রেডিমেড গার্মেন্টস খাতে মন্দার কারণে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা তারল্য সংকট বাড়াচ্ছে। বর্তমানে সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ৫০ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে ৩০ শতাংশ। তিনি জানান, বেসরকারি খাত ব্যাংক থেকে মাত্র ৬ শতাংশ ঋণ নিয়েছে, যেখানে সরকার নিয়েছে ২৭ শতাংশ, যা ভবিষ্যতে ৩২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ছাড়া শুধুমাত্র মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা সম্ভব নয় এবং নতুন সরকারকে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রভাব দ্রুত বুঝতে হবে।
কঠোর মুদ্রানীতিতে ১২ লাখ চাকরি হারানোর আশঙ্কা জানালেন এ কে আজাদ