হবিগঞ্জের লাখাইয়ে অধিকাংশ সেচ প্রকল্পই ছিল নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দখলে। তারা নির্ধারিত চার্জের ৩-৪ গুণ বেশি চার্জ আদায় করেছেন। এসব টাকা কেউ কেউ আবার লীগকে সংগঠিত করার জন্য সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে ব্যবহার করছেন। কৃষকদের অভিযোগ, বিএডিসি সরেজমিন তদন্ত করেছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বিএডিসি’র সহকারি প্রকৌশলী ও উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব এএম রাকিবুল হক বলেন, বিষয়টি আমরা একবার তদন্ত করেছি। আরও তদন্ত প্রয়োজন। ইতোমধ্যেই তাকে অতিরিক্ত নেওয়া ধান ফেরত দেয়ার জন্য তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় তবে আগামী বছর থেকে তাকে আর দরপত্রে অংশ নিতে দেওয়া হবে না।
রাজনীতি যেন ব্যবসা ও ব্যক্তি কেন্দ্রিক না হয়। আমি সব সময় জনগণের কল্যাণে মানুষের উপকার করার জন্য এসেছি। কাউকে উপকার করতে না পারলেও ক্ষতি করবো না: বিজিএমইএ’র নবনির্বাচিত সভাপতি মাহমুদ হাসান খাঁন