প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ এবং ‘হাওড় ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতা শরিফ ওসমান হাদির সংকটাপন্ন শারীরিক অবস্থার বিষয়েও আলোচনা হয়, যিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন।
গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি পাঁচ বছর ধরে নিখোঁজ থাকলে ট্রাইবুন্যাল তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গুম’ ঘোষণা করতে পারবে। ভুক্তভোগীর পরিবার কমিশনের অনুমতি ছাড়াই সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবে এবং সরকার মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিতে পারবে। অন্যদিকে, হাওড় ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব নির্ধারণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আইনি কাঠামো প্রণয়ন এবং ক্ষতিকর কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া, সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে নতুন বাংলাদেশ দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাবও অনুমোদন পায়, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গুম ও হাওড় সংরক্ষণে অধ্যাদেশ অনুমোদন, বার্নে নতুন দূতাবাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত