রাজধানীসহ দেশের সরকারি ও বেসরকারি অধিকাংশ স্কুলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের মান নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নেন না এবং দায়সারাভাবে পাঠদান করে শুধু সিলেবাস শেষ করেন। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট ও কোচিংয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, যা অভিভাবকদের আর্থিক ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক চাপ বাড়াচ্ছে। ২০১২ সালে কোচিংবাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা প্রণয়ন হলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর অনলাইনে ক্লাস মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মাঠপর্যায়ে সরাসরি তদারকি ও কোচিংবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন ছাড়া অনলাইন মনিটরিং কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না। বিশেষজ্ঞরা শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও বাজেট ঘাটতিকে শিক্ষার মানহ্রাসের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সরকার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, সম্মানী বৃদ্ধি ও কারিকুলাম সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষার মানহ্রাসে অভিভাবকদের ক্ষোভ, অনলাইন মনিটরিং উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।