ভাষাসৈনিক মতিনের স্মরণে নির্মিত হয়েছিল পাঠাগার। নেই কোনো বই, নেশাখোরদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় হাকিম মেম্বারের বিরুদ্ধে পাঠাগারের দেড় হাজারের বেশি বই ও আসবাবপত্র আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। থানায় করা হয়েছে অভিযোগও। ১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর চৌহালী উপজেলায় আব্দুল জলিল ও আমেনা খাতুনের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল মতিন। ঢাবির কার্জন হলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহের একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বক্তব্যের প্রথম নো নো প্রতিক্রিয়া আব্দুল মতিনের কণ্ঠ থেকেই গিয়েছিল। তার জন্মভূমিতে ২০১০ সালে এক এনজিও একটি শহিদ মিনার ও পাঠাগার নির্মাণ করেছিল।
ভাষাসৈনিক মতিন পাঠাগার এখন নেশাখোরদের দখলে, বইসহ সব আসবাবপত্র আত্মসাৎ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।