বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির ওপর হত্যাচেষ্টা দেশের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ হাদিকে টার্গেট করা হয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন, যা পর্যবেক্ষকদের মতে ভয়ভীতি ছড়িয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত করার কৌশল। হামলার পর তরুণ ও রাজনৈতিক কর্মীরা প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আসেন, আর বিভিন্ন দল ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়ার আহ্বান জানায়।
তদন্তে উঠে এসেছে, হামলাকারীরা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্য এবং তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে পালিয়ে গেছে। এই ঘটনায় ভারতের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দিল্লিকেন্দ্রিক প্রভাববলয় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত নিলেও একটি প্রধান দল অনুপস্থিত ছিল, যা রাজনৈতিক বিভাজনের ইঙ্গিত দেয়।
পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতা ও রাজনৈতিক অনৈক্য অব্যাহত থাকলে উগ্রপন্থী শক্তি আরও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। এই হামলা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আঞ্চলিক প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বের জটিলতা নতুনভাবে উন্মোচন করেছে।
হাদির ওপর হামলায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বিভাজন ও সীমান্তপারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ