মালয়েশিয়া আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন বায়োমেট্রিকভিত্তিক নিবন্ধন কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের নির্দেশিকা নং ২৩-এর অধীনে গঠিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শরণার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সরকারি তথ্যভাণ্ডার তৈরি হবে। সংসদে উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি ড. শামসুল আনুয়ার নাসারাহ জানান, ইমিগ্রেশন বিভাগ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং মাইমোস বেরহাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় সিস্টেমটি তৈরি হয়েছে। নিবন্ধনের পর শরণার্থীরা ‘রেফিউজি রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট (ডিপিপি)’ পাবেন, যা তাদের বৈধভাবে বসবাস, কাজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ দেবে। সরকার আশা করছে প্রায় দুই লাখ শরণার্থী এই ডাটাবেজের আওতায় আসবে। যদিও মালয়েশিয়া ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন ও ১৯৬৭ প্রটোকলের স্বাক্ষরকারী নয়, তবুও এই কর্মসূচি সামাজিক সহায়তা ও জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় শরণার্থীদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু হবে