গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চরাঞ্চলের ভোটাররাই জয়-পরাজয়ের মূল নির্ধারক হয়ে উঠতে পারেন। ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীবিধৌত এই অঞ্চলের আটটি চর ইউনিয়নের মানুষের প্রধান দাবি নদীভাঙন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে জীবনমানের উন্নতি। প্রতি বছর ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি, স্কুল ও বাজার হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন বহু পরিবার।
চরের ভোটাররা জানিয়েছেন, তারা এমন প্রার্থীকে ভোট দেবেন যিনি এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করবেন। বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার নদীতীর সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পুলিশ ফাঁড়ি ও পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ পশুপালন কেন্দ্র, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বালাসী-বাহাদুরাবাদ সংযোগে সেতু বা টানেল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা বলেছেন। কৃষি সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও চরাঞ্চলে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ঘাটতি রয়ে গেছে।
স্থানীয়দের মতে, টেকসই নদীশাসন ও চর উন্নয়নই এবারের নির্বাচনে ফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।
গাইবান্ধা-৫ নির্বাচনে চরাঞ্চলের ভোট ও নদীভাঙন ইস্যুই নির্ধারণ করবে ফলাফল