থাইল্যান্ডে আগামী রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, যা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের পর নাজুক যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে হচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন রাজতান্ত্রিক রক্ষণশীল ভূমজাইথাই পার্টির মুখোমুখি হচ্ছে তরুণ নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল পিপলস পার্টি। দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী দল ফিউ থাইও পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে, যদিও এর প্রতিষ্ঠাতা তাকসিন সিনাওয়াত্রা কারাগারে এবং দলের দুই প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায়ে অপসারিত হয়েছেন।
৫০০ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে ৪০০টি আসন সরাসরি ভোটে এবং ১০০টি দলীয় তালিকা থেকে নির্বাচিত হবে। এবার প্রথমবারের মতো নিযুক্ত সেনেট প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে অংশ নেবে না। প্রধানমন্ত্রী হতে হলে ২৫১ ভোট প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভোটাররা ২০১৭ সালের সামরিক শাসনামলে প্রণীত সংবিধান পুনর্লিখনের বিষয়ে গণভোটেও অংশ নেবেন। জরিপে দেখা যাচ্ছে, পিপলস পার্টি এগিয়ে, ভূমজাইথাই দ্বিতীয় এবং ফিউ থাই পিছিয়ে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না, ফলে জোট সরকার গঠন অনিবার্য হলেও তা অস্থিতিশীল হতে পারে। এই নির্বাচনকে থাইল্যান্ডের দীর্ঘদিনের অভ্যুত্থান, আন্দোলন ও বিচারিক হস্তক্ষেপের চক্র ভাঙার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রবিবার থাইল্যান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ২০২৬ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে