২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গুগল ম্যাপ ব্যবহারকারীর লোকেশন বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য গুগল সার্ভারে জমা হয়। এতে ব্যবহারকারীর যাত্রাপথ, সময় ও অবস্থান গুগল ম্যাপের টাইমলাইনে সংরক্ষিত থাকে। টাইমলাইন মুছে ফেললেও সার্ভারে বিস্তারিত লোকেশন তথ্য থেকে যায়, যা পরবর্তীতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনে ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রতিবেদনটি জানায়, গুগল অ্যাকাউন্টের ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’ পেজ থেকে নিয়মিত তথ্য মুছে ফেলা এবং প্রাইভেসি-নির্ভর অ্যাপ ব্যবহার করলে ডেটা তৈরি কমানো সম্ভব। ওয়েজ ম্যাপ গুগলের অধীনে থাকায় একই সমস্যা থেকে যায়, তবে অ্যাপল ম্যাপ প্রাইভেসির দিক থেকে ভালো হলেও কেবল আইফোনে ব্যবহৃত হয়। হিয়ারউইগো বা ম্যাপকোয়েস্টের মতো অ্যাপ বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া স্মার্টফোনের সেটিংস নিয়ন্ত্রণ, অ্যাপের অনুমতি সীমিত করা এবং টাইমলাইন নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গোপনীয়তা রক্ষা করা যায় বলে প্রতিবেদনে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গুগল ম্যাপে ডেটা সংরক্ষণ ও গোপনীয়তা রক্ষার উপায় নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন