বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে বিদেশি নাগরিকত্ব যথাযথভাবে ত্যাগ না করার কারণে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্তের পর নির্বাচন কমিশনে একাধিক আপিল জমা পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কেউ কেউ হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করেছেন, আবার কেউ দাবি করেছেন, প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়ার পরও তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকরা ভোট দিতে পারেন, কিন্তু বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ না করলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বিদেশি সরকারের ইস্যুকৃত চূড়ান্ত নাগরিকত্ব ত্যাগপত্রই একমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রমাণ। জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা এই ইস্যুতে প্রভাবিত হয়েছেন এবং তাদের আপিলের শুনানি চলছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্বৈত নাগরিকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন, যা জাতীয় নির্বাচনের যোগ্যতার সঙ্গে বৈপরীত্য তৈরি করেছে। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানা গেছে।
দ্বৈত নাগরিকদের সংসদ নির্বাচনে নিষেধ, স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ