বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক জুলাই বিপ্লব দমনে কারফিউ ও মারণাস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে প্রসিকিউশন দাবি করেছে। চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, তাদের অপরাধের অকাট্য প্রমাণ প্রসিকিউশনের হাতে রয়েছে। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনালে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হবে ২২ ফেব্রুয়ারি।
প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে যৌথ অপরাধ ও ঊর্ধ্বতন দায়িত্বের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে রংপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হত্যাযজ্ঞ ও হামলায় তারা প্ররোচনা ও সহায়তা দেন। ২২ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেবেন এবং ভিডিও ও নথিসহ প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে।
এর আগে ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। প্রসিকিউশন দাবি করেছে, আসামিরা জুলাই বিপ্লবের সময় দমন-পীড়নে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন।
জুলাই বিপ্লবের গণহত্যা মামলায় সালমান ও আনিসুলের বিচার শুরু