তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আগ্রাসী সামরিক নীতি দেশটিকে আন্তর্জাতিকভাবে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। তিনি জানান, এই নীতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক মৃত্যু ও ধ্বংস নেমে এসেছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে, শুধু তুরস্কের জন্য নয়, বিশ্বের অনেক দেশের ক্ষেত্রেও।
ফিদান বলেন, ইসরাইলের সামরিক অভিযান চলতে থাকলে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের কোনো বাস্তব সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় মানবাধিকার সংগঠন ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধিতা বাড়ছে। ইউরোপীয় নেতারা এখন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা ছবি তুলতে অনীহা প্রকাশ করছেন, কারণ এটি রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সফর করার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং এমনকি ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও এখন সতর্ক। ফিদানের মতে, তুরস্কের অবস্থান আবেগপ্রবণ নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া। অনেক দেশ প্রকাশ্যে ইসরাইলের বিরোধিতা করছে, আবার কেউ কেউ নীরবে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ এড়িয়ে চলছে।
তুরস্কের দাবি, ইসরাইলের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতায় নেতানিয়াহুকে এড়িয়ে চলছেন ইউরোপীয় নেতারা