বগুড়া অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি টন চালের বিপরীতে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হচ্ছে, যা মিল মালিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। ২৮ ডিসেম্বর পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ৯ ডিসেম্বর বগুড়া খাদ্য ভবনে এক বৈঠকে সদর গুদাম কর্মকর্তা মিল মালিকদের টনপ্রতি অর্থ প্রদানের নির্দেশ দেন।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, মিল মালিকরা টনপ্রতি ৬০০ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে ২৩ ডিসেম্বর গাবতলী উপজেলার এক মিল মালিককে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিজ কার্যালয়ে ডেকে ঘুষ দাবি করেন এবং অস্বীকৃতি জানালে তাকে গালিগালাজ করে বের করে দেন। এছাড়া জামানতের টাকা উত্তোলনে হয়রানি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ধান ক্রয়ের অভিযোগও তোলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সমিতির নেতারা নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করেছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান ব্যাহত হতে পারে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বগুড়ায় চালকল মালিকদের কাছ থেকে ঘুষ দাবির অভিযোগে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে স্মারকলিপি